ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিয়ামতপুরে ৯ মাসে ৩১ জনের আত্মহত্যা বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে জিয়া মঞ্চ রাজশাহী মহানগর কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে ৪৮ বস্তা সার জব্দ হস্তক্ষেপের ইচ্ছা নাই, মুক্ত গণমাধ্যম পাবেন: তথ্যমন্ত্রী নওগাঁয় শিক্ষককে হানিট্র্যাপে ফেলে টাকা আদায়, নারীসহ গ্রেপ্তার ৪ রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলেন ঠাকুরগাঁওয়ের নবাব দেশব্যাপি ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ২০২৬’ বাস্তবায়ন উপলক্ষে রাসিকের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আর ৭ জনের মৃত্যু গলায় মাছের কাঁটা আটকে গিয়েছে, নিরাপদে বার করবার রইল ৭টি টোটকা নিয়ামতপুরে ১৫০পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক কারবারী গ্রেপ্তার ‘বলিউড গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দেয়’! করীনার নিশানায় ছবির নির্মাতারা মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: রাণীশংকৈলে ইয়াবা সেবনের অভিযোগে দুইজনের জেল বিপুল অস্ত্রশস্ত্রসহ সুন্দরবনের ‘নানা ভাই বাহিনীর’ আত্মসমর্পণ সাতক্ষীরার এক স্কুলেই ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিয়ে নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ২২ রাজশাহী মেডিকেলে ডেঙ্গুতে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু ভোলায় মেঘনার পাড়ধসে পড়ে বিজিবি সদস্যসহ নিখোঁজ ২ রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ১১১ জন পরীক্ষার্থী রাজশাহী মহানগরীতে পৃথক অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৫

গলায় মাছের কাঁটা আটকে গিয়েছে, নিরাপদে বার করবার রইল ৭টি টোটকা

  • আপলোড সময় : ১০-০৯-২০২৬ ০৫:৩২:২৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০৯-২০২৬ ০৫:৩২:২৯ অপরাহ্ন
গলায় মাছের কাঁটা আটকে গিয়েছে, নিরাপদে বার করবার রইল ৭টি টোটকা ফাইল ফটো
মাছ খেতে গিয়ে গলায় কাঁটা আটকে যাওয়া খুবই পরিচিত সমস্যা। গলায় খচখচ করে, ঢোঁক গিলতে গেলে ব্যথা হয় বা একটানা অস্বস্তি হতে থাকে। এই পরিস্থিতিতে নানা মুনির নানা মত মেনে কাঁটা নামানোর চেষ্টা চলে। কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে কাঁটা নেমে যায় নিরাপদে। তবে সব ধরনের কাঁটার ক্ষেত্রে এই ঘরোয়া পদ্ধতি নিরাপদ নয়। বরং ভুল ভাবে কাঁটা নামাতে গেলে সেটি আরও ভিতরে ঢুকে গিয়ে গলার বা খাদ্যনালির দেওয়ালে আঘাত করতে পারে।

প্রথমেই কী করবেন?
কাঁটা আটকে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আতঙ্কিত না হয়ে প্রথমে স্বাভাবিক ভাবে কাশার চেষ্টা করা যেতে পারে। কাশির জোরে গলার উপরিভাগে আটকে থাকা ছোট কাঁটা কখনও কখনও বেরিয়ে আসতে পারে। তাতে যদি কাজ না হয়, তা হলে কয়েকটি ঘরোয়া পন্থা প্রয়োগ করতে পারেন। মনে রাখবেন, না-দেখে আঙুল, চামচ, কাঠি বা অন্য কোনও বস্তু গলায় ঢুকিয়ে খোঁচাখুঁচি করা উচিত নয়। এতে গলার ভিতরের টিস্যুতে ক্ষত তৈরি হতে পারে এবং কাঁটা আরও ভিতরে ঢুকে যেতে পারে।

ঘরোয়া কোন কোন পদ্ধতি অবলম্বন করা যায়?
কলা: কলার মতো নরম খাবার দিয়ে কাঁটা নামানোর পরামর্শ খুবই প্রচলিত। নরম খাবারটি কাঁটাকে সঙ্গে নিয়ে খাদ্যনালির দিকে নেমে যাবে। কলার অংশ গেলার সময়ে কাঁটাটিও খাবারের সঙ্গে আটকে যায়। ফলে নীচে নেমে গিয়ে পেটে চলে যেতে পারে একসঙ্গে।

ভাতের দলা: কলার মতোই কাজ করে এক দলা ভাত। হাতে ভাল করে চটকে নিয়ে একটি মণ্ড বানিয়ে গিলে ফেলতে হয় ভাত। আঠালো খাবার যখন গলা দিয়ে নামে, তখন তার সঙ্গে কাঁটাও আটকে যায়। কলা ও ভাতের মতো কাজ করতে পারে ভাল ভাবে সেদ্ধ আলুও। একই নিয়মে কাজ করে নরম ও ভিজে পাউরুটি।

ভিনিগার: এটিও বহুল প্রচলিত একটি ঘরোয়া টোটকা। ভিনিগারের অম্লীয় উপাদান মাছের কাঁটাকে নরম করে দিতে পারে। তাই অনেকে ভিনিগার মেশানো জল পান করেন। তবে বাস্তবে সাধারণ ভিনিগারের অ্যাসিড কাঁটাকে এত দ্রুত গলিয়ে দিতে পারে না। উল্টে বেশি পরিমাণে ভিনিগার পান করলে গলার বা খাদ্যনালিতে জ্বালা তৈরি হতে পারে। তাই অল্প পরিমাণ নিয়ে চেষ্টা করা উচিত এক বার।

অলিভ অয়েল: অল্প পরিমাণ অলিভ অয়েলও পান করা যেতে পারে। তেল গলার আবরণ কিছুটা পিচ্ছিল করে দিতে পারে। ফলে কাঁটা সরে যেতে পারে নিজে নিজেই।

মার্শমেলো: ছোট কাঁটা গলায় আটকে থাকলে মার্শমেলোর মতো নরম খাবার কাজে আসতে পারে। ভাত বা কলার মতোই নরম খাবারের সঙ্গে আটকে গিয়ে কাঁটা নীচের দিকে নেমে যেতে পারে।

স্মুদি: ঘন কোনও পানীয়ও এ ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে। ঘন মিল্কশেক বা স্মুদি দিয়ে ঠেলে নামিয়ে দেওয়া যেতে পারে কাঁটা। তার উপর যদি পানীয়গুলি ঠান্ডা হয়, তা হলে গলার প্রদাহও কমে যেতে পারে এর পাশাপাশি।

গরম নুন-জল: গলার উপরের অংশে যে কাঁটা আটকে যায়, তা বার করার জন্য গরম জলে নুন মিশিয়ে গার্গেল করা যেতে পারে। গার্গেলের ফলে খাদ্যনালির পেশিগুলি সঙ্কুচিত এবং প্রসারিত হতে থাকে। ফলে মাছের কাঁটা বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে।

তবে কাঁটা যদি সত্যিই গলার দেওয়ালে গেঁথে থাকে, শুধু তেল বা কলা খেয়ে সেটি নিরাপদে বেরিয়ে আসবে— এমন নিশ্চয়তা নেই। ব্যথা বা অস্বস্তি বাড়তে থাকলে, গলা থেকে রক্তপাত হলে, লালা গিলতে না পারলে, বুক বা ঘাড়ে ব্যথা হলে, শ্বাস নিতে কষ্ট হলে বার বার ঘরোয়া পদ্ধতি প্রয়োগ না করে দ্রুত চিকিৎসকের সাহায্য নেওয়াই ভাল।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহী মেডিকেলে ডেঙ্গুতে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু

রাজশাহী মেডিকেলে ডেঙ্গুতে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু